April 17, 2013

নতুন ফাঁদ থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের রক্ষার দাবি

ধস পরবর্তী দীর্ঘ প্রায় আড়াই বছরে থেমে থেমে দর পতনের কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের লোকসানের বোঝা ভারী হলেও মন্দাবাজারেও এক শ্রেনীর বিনিয়োগকারী ঠিকই ফায়দা হাসিল করেছে। দীর্ঘ পতনের পর বাজার সামান্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতায় ফিরলে নিঃস্ব বিনিয়োগকারীরা নতুন উদ্যোমে বাজারমুখী হন। কিন্তু পূর্বের মতোই তাদের হতাশ হয়ে ফিরতে হয়। কারণ, বাজারের সব ধরণের পরিস্থিতিতে এক শ্রেনীর বিনিয়োগকারী সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ফাঁদ পেতে রাখে। তবে বর্তমান মন্দা পরিস্থিতিকে পুঁজি করে কেউ যাতে বাজারে কারসাজির জন্য নতুন করে ফাঁদ তৈরী করতে না পারে সেদিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন বিনিয়োগকারীরা।

ভয়াবহ ধসের পর বাজারে একাধিকবার সূচক এবং লেনদেন তুলনামুলক সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছায়। কিন্তু সে পরিস্থিতি স্থায়ী হয়নি। বাজার পুনরায় পতনের বৃত্তেই ফিরে যায়। একটি চক্র নানা কৌশলে সেই সময়গুলোতে বাজারে ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বাজারমুখী করেছে। এরপর উচ্চদরে হাতে থাকা শেয়ার ছেড়ে দিয়ে কেটে পড়েছে। বর্তমান নাজুক পরিস্থিতিতেও এ ধরণের চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কিন্তু চরম সংকটাপন্ন এ মুহূর্তে কেউ যাতে পুনরায় বাজারে নতুন করে ফাঁদ তৈরী করে ফায়দা হাসিল করতে না পারে সেদিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বর্তমান প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর বাজারে দৈনিক লেনদেনের পরিমান ২ বার হাজার কোটি টাকার ঘর ছাড়িয়ে যায়। তিনি ২০১২ সালের মার্চের ১৫ তারিখে নির্বাচিত হওয়ার পর ডিএসই’র দৈনিক লেনদেন ৩০০ কোটি টাকা থেকে ক্রমান্বয়ে বাড়তে বাড়তে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার ঘরে পৌঁছায়। কিন্তু সে পরিস্থিতি স্থায়ী হয়নি। মাত্র ১ মাসের ব্যবধানে ডিএসই’র দৈনিক লেনদেন সাড়ে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে নেমে যায়। এরপর কমতে কমতে তা দেড়শ কোটির ঘরে নেমে যায়। এরপর আগস্টের শেষ দিকে এবং সেপ্টেম্বর মাসে পুনরায় বাজারে ইতিবাচক পরিস্থিতি ফিরে আসে। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে দৈনিক লেনদেন পুনরায় ১ হাজার কোটি টাকার ঘর অতিক্রম করে। কিন্তু অল্প কিছুদিন যেতে না যেতেই অর্থাৎ অক্টোবরের মাঝামাঝিতে ডিএসই’র দৈনিক লেনদেন পুনরায় সাড়ে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে ফিরে যায়। এরপর দীর্ঘমন্দা নিয়ে নতুন বছরের সুচনা হয়।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ডিএসই’র দৈনিক লেনদেন আশংকাজনকহারে কমতে থাকে। সে সময় দেড়শ কোটি টাকার ঘরে দৈনিক লেনদেন ঘুরপাক খায়। এমন পরিস্থিতিতে ডিএসই’র পক্ষ থেকে বাজারে ইতিবাচক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে তৎপরতা বাড়ানো হয়। ফলশ্রুতিতে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে ডিএসই’র দৈনিক লেনদেন গড়ে ৫০০ কোটি টাকার ঘরে পৌঁছায়। কিন্তু শেষ অব্দি সে পরিস্থিতিও স্থায়ী হয়নি। ধীরে ধীরে বাজারে নেতিবাচক পরিবেশ ফিরে আসে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, মন্দাবাজারেও কারসাজি চক্র একাধিকবার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পকেট কাটার ফাঁদ তৈরী করে। বিভিন্ন অযৌক্তিক ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতা তৈরী করে। সেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতা কৃত্রিম হওয়ার কারণে অল্প দিনের মধ্যে বাজার পুনরায় পতনের দিকে ধাবিত হয়।


বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে কিছুটা ইতিবাক পরিস্থিতি দেখা দিলে বিনিয়োগকারীরা যেমন আস্থা ফিরে পান ঠিক তেমনি তাদেরকে বোকা বানানোর একটি সুযোগ পান কারসাজি চক্র। তারা বিভিন্ন শেয়ারের দর অনৈতিকভাবে বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওই শেয়ারের প্রতি আকৃষ্ট করে তোলেন। এরপর সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যখন ওই শেয়ার ক্রয় করতে শুরু করেন তখন কারসাজি চক্র তা বিক্রয় করে দিয়ে বাজার থেকে সটকে পড়ে। বর্তমান অবস্থায় একই সুযোগ যাতে পুনরায় কেউ না নিতে পারে সে লক্ষে সব শ্রেনীর বিনিয়োগকারীর ক্রয়-বিক্রয়ের উপর কঠোর নজরদারি রাখার আহবান জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে, কারসাজি রোধে বিএসইসি সার্ভিলেন্স সফটওয়্যার চালু করলেও তার সুফল এখনো বিনিয়োগকারীদের কাছে পৌঁছায়নি। এছাড়া শতকরা ৯০ ভাগ এলার্ট বিএসই’র পক্ষ থেকে তদারকির করা হয় না। তবে বাজারের বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষাপটে সফটওয়্যারের পূর্ণ ব্যবহার চান বিনিয়োগকারীরা। যাতে করে কেউ চলমান পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে অনৈতিকভাবে ফায়দা হাসিল করতে না পারে।

IF it is Helpful for you please Support us by clicking Ads !

Source : শেয়ারনিউজ২৪ 04.2013

বেঙ্গল উইন্ডসোরের লেনদেন শুরু আজ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া বেঙ্গল উইন্ডসোর থার্মো প্লাস্টিকস লিমিটেডের লেনদেন আজ, ১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার দেশের উভয় শেয়ারবাজারে শুরু হয়েছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিষ্ঠানটির ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছে ‘এন’।. এর ডিএসই ট্রেডিং কোড হচ্ছে ”BENGALWTL” এবং কোম্পানি কোড হচ্ছে ১৩২৩১।. এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২৭ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা আইপিও আবেদন জমা দেন। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল গত ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে সাড়ে ১২ গুণ বেশি (টাকার অংকে) আবেদন জমা পড়ে। অর্থাৎ এ কোম্পানির আইপিওতে মোট জমা পড়েছে ৪৯৮ কোটি টাকার আবেদন (গত ৭ ফেব্রুয়ারি হিসাব অনুযায়ী)।. আর কোম্পানিটি বাজারে ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ২৫ টাকা। এ কোম্পানির আইপিওতে মোট আবেদন জমা পড়েছে ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯০টি। টাকার পরিমাণে মোট ৪৯৮ কোটি ৯৩ লাখ ৩০ হাজার ৬২ টাকা। এর মধ্যে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদন জমা পড়েছে ১৫ হাজার ৫০০টি। টাকার পরিমাণে জমা পড়েছে ৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যূ ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

IF it is Helpful for you please Support us by clicking Ads !

Source : শেয়ারনিউজ২৪ 04.2013

Trading commencement of Bengal Windsor Thermoplastics

Bengal Windsor Thermoplastics Ltd.: Trading of the shares of Bengal Windsor Thermoplastics Ltd. will commence at DSE from April 16, 2013 under ‘N’ category. DSE Trading Code for Bengal Windsor Thermoplastics Ltd. is “BENGALWTL” and DSE Company Code is 1323

IF it is Helpful for you please Support us by clicking Ads !

Source : DSE News 04.2013

ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও আবেদন অজানা কারণে বাস্তবায়ন হচ্ছে না

নতুন কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসনের দাবি দীর্ঘ দিনের। বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তির কথা বিবেচনায় বিশেষজ্ঞরাও আইপিও প্রক্রিয়া সহজীকরণের পক্ষে মতামত দিয়েছেন। স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে ব্রোকারেজ হাউজের তত্ত্ববধানে নতুন কোম্পানির আইপিওতে আবেদনের সুযোগ রাখার পক্ষে বিনিয়োগকারী এবং বাজার সংশ্লিষ্টরা। ভয়াবহ ধসের পর এ বিষয়ে সংস্কারের দাবি উঠলেও অজানা কারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আইপিও’র সামগ্রিক প্রক্রিয়া ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হলে একদিকে আবেদনপত্র জমার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমবে, অন্যদিকে অতি সহজ ও নিরাপদভাবে প্রাথমিক শেয়ার পেতে ব্যর্থ আবেদনকারীদের জমাকৃত টাকা ফেরত দেয়া (রিফান্ড) সম্ভব হবে।

বর্তমান ব্যবস্থায় কোনো কোম্পানির প্রাইমারি শেয়ার পাওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন মাধ্যম থেকে আইপিও ফরম ক্রয় বা সংগ্রহ করতে হয়। ফরমটি পূরণ করে আইপিওর জন্য নির্ধারিত অর্থসহ নির্ধারিত ব্যাংকের শাখায় জমা দিতে হয়। প্রতিটি কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়ায় ব্যাংকার টু দ্য ইস্যুর নির্ধারিত শাখার সংখ্যা কম থাকায় আবেদন জমা দিতে গিয়ে আবেদনকারীদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়।
আবেদন সংগ্রহের পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো আবেদনকারীদের সামগ্রিক তথ্য ইস্যু পরবর্তী ব্যবস্থাপনা (পোষ্ট ইস্যু ম্যানেজার) প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠিয়ে দেয়। ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান সব আবেদন যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত শেয়ারের তুলনায় আবেদনের পরিমান বেশি হলে লটারির ব্যবস্থা করে। বুয়েটের তত্ত্বাবধায়নে লটারির ফলাফল প্রকাশ করা হয়। লটারির মাধ্যমে যেসব আবেদনকারী শেয়ার বরাদ্দ পান তাদেরকে কোম্পানি ঘোষিত সময়ের মধ্যে নির্ধারিত স্থান থেকে বরাদ্দপত্র (এলোটমেন্ট লেটার) গ্রহণ করতে হয়। বরাদ্দপত্রটি ব্রোকারেজ হাউজে জমা দেয়ার পর সফল আবেদনকারীর বিও একাউন্টে শেয়ার জমা করা হয়।
অন্যদিকে লটারিতে শেয়ার পেতে ব্যর্থ আবেদনকারীকে কোম্পানি ঘোষিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট স্থান থেকে জমাকৃত অর্থের ফেরতপত্র (রিফান্ড ওয়ারেন্ট) সংগ্রহ করতে হয়। পরে ফেরতপত্রটি ব্যাংকে জমা দিলে ব্যাংকিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওই টাকা তার হিসাবে জমা করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ ফেরতপত্র সংগ্রহে ব্যর্থ হলে বা ফেরত প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা হলে আবেদনকারীদের বড় রকমের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানো হলেও অনেক বিনিয়োগকারীর কাছে তা পৌঁছে না। অনেক সময় আইপিওতে জমাকৃত টাকা ফেরত পেতে আবেদনকারীর ২-৩ মাস পর্যন্ত অপেক্ষারও নজির রয়েছে। ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হলে বিনিয়োগকারীদের এ ধরনের দুর্ভোগ থেকে রেহাই দেয়া সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

জানা গেছে, ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে একদিকে যেমন অতি সহজে আইপিও আবেদন গ্রহণ যায়, তেমনি কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই ব্যর্থ আবেদনকারীদের অর্থ ফেরত দেয়া সম্ভব।

স্টক এক্সচেঞ্জ ও ব্রোকারেজ হাউজের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের ২ স্টক এক্সচেঞ্জের আওতাধীন ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে সব সময়ই গ্রাহকদের বিপুল পরিমান টাকা বা শেয়ার জমা থাকে। আজ পর্যন্ত কোনো ব্রোকারেজ হাউস গ্রাহকের টাকা নিয়ে বড় ধরনের সমস্যা করেছে বলে অভিযোগ আসেনি। ফলে এসব হাউসের মাধ্যমে আইপিওর টাকা জমা নেয়া হলে নিরাপত্তা থাকবে কিনা এ ধরনের সন্দেহ সম্পূর্ণ অমূলক। বরং ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও আবেদন জমা নেয়া হলে সব দিক থেকেই প্রক্রিয়াটি সহজ হয়ে যাবে। এতে রিফান্ডের টাকা ফেরত পেতে অযথা সময় নষ্ট হবে না।

এদিকে ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আবেদন জমা নেয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পর্যায়ে কথা-বার্তা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই প্রক্রিয়ায় আইপিওর মাধ্যমে শেয়ার পেতে আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা নির্ধারিত পরিমান অর্থসহ নিজ নিজ ব্রোকারেজ হাউসের কাছে আবেদনপত্র জমা দেবে। প্রত্যেক ব্রোকারেজ হাউস আগ্রহী গ্রাহকদের নাম ও বিও হিসাব নম্বরের তালিকা প্রয়োজনীয় টাকাসহ নির্ধারিত ব্যাংকে জমা দেবে। সব হাউস থেকে প্রাপ্ত তালিকা অনুযায়ী আবেদনের সংখ্যা নির্ধারিত শেয়ারের চেয়ে বেশি হলে লটারির মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দ করা হবে। লটারির মাধ্যমে যেসব আবেদনকারী শেয়ার পাবেন তাদের ব্রোকারেজ হাউসে বরাদ্দপত্র পাঠিয়ে দেয়া হবে। যেসব আবেদনকারী শেয়ার পাবেন না তাদের টাকা ব্রোকারেজ হাউসের ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়ে দেয়া হবে। সর্বশেষ ব্রোকারেজ হাউস তার গ্রাহকদের বিও হিসাবে টাকা জমা করবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রক্রিয়ায় আবেদন গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করা হলে আইপিও প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সংখ্যা কমে যাবে। এতে কোম্পানিগুলোর ব্যাংকার টু দ্য ইস্যু ফি এবং রিফান্ড ওয়ারেন্ট তৈরি ও বিতরণে ব্যয় অনেক কমে যাবে। বিনিয়োগকারীদেরও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন জমা ও রিফান্ড ওয়ারেন্ট সংগ্রহে ভোগান্তি কমে যাবে।

IF it is Helpful for you please Support us by clicking Ads !

Source : শেয়ারনিউজ২৪ 04.2013

আড়াই বছর পর কার্যকর হচ্ছে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি

প্রায় আড়াই বছর পর কার্যকর হচ্ছে পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া বুকবিল্ডিং পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের পর বাজারে তালিকাভুক্তির আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে মোট ৩ কোটি শেয়ার ছাড়বে। এ উপলক্ষে ১৭ এপ্রিল ‘রোড শো’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে কোম্পানিটি।

দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে ২০১০ সালের মার্চে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি কার্যকর করা হয়। কিন্তু ওই সময় বিধিমালার দূর্বলতার সুযোগে বিভিন্ন কোম্পানি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসাজস করে শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমগুলো সোচ্চার হওয়ায় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১১ সালের ২০ জানুয়ারি এই পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।. পরে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও বাজার সংশ্লিষ্টদের মতামত নিয়ে ওই বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর এই পদ্ধতির সংশোধনী অনুমোদন করে বিএসইসি। পরে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাজারে শেয়ারের চাহিদা ও যোগানের (ডিমান্ড অ্যান্ড সাপ্লাই) সামঞ্জস্য বিধানের জন্য নতুন নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির ধারাবাহিকতা রক্ষা করছে বিএসইসি। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার সরবরাহের ক্ষেত্রে যাতে দীর্ঘ বিরতি না পড়ে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। আবার একসঙ্গে অনেক কোম্পানি আসার ফলে বাজারে যাতে অর্থ সংকট তৈরি না হয়Ñ সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। তবে বিএসইসিতে আবেদন করার পর উদ্যোক্তারা যাতে অযথা সময়ক্ষেপণ বা হয়রানির শিকার না হনÑ সেদিকেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

গত দু’ বছরে নির্ধারিত মূল্য (ফিক্সড প্রাইজ) পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে প্রায় ২৫টি কোম্পানি বাজারে এলেও বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে আগ্রহ ছিল না কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজারদের। তবে শেষ পর্যন্ত এই পদ্ধতিতে বাজারে আসছে ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে। আগামী ১৭ এপ্রিল গুলশানের লেক শো’র হোটেলে কোম্পানির ‘রোড শো’ অনুষ্ঠিত হবে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

IF it is Helpful for you please Support us by clicking Ads !

Source : শেয়ারনিউজ২৪ 04.2013

April 2, 2013

সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালসের আইপিও অনুমোদন

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি) সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন অনুমোদন করেছে। বুধবার কমিশনের ৪৭৩তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিএসইসি’র নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো: সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৪ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ব্যাংক থেকে গৃহীত ঋণ এবং আইপিওর খরচ খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২১ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ ১১.২৮ টাকা।

সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালসের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

IF it is Helpful for you please Support us by clicking Ads !

Source : শেয়ারনিউজ২৪ 03.2013

হুমকির মুখে আইপিও বাজার

বেশ কিছুদিন বিনিয়োগকারীরা নতুন শেয়ারে আশানুরুপ মুনাফা করতে পারলেও সম্প্রতি পরিস্থিতি উল্টো দিকে মোড় নিয়েছে। ফলে নতুন শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ক্রমেই কমতে শুরু করেছে। আর এভাবে চলতে থাকলে নতুন কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমে যাবে যা আইপিও বাজারকে প্রভাবিত করবে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ, প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস, আর্গন ডেনিমস, সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার, গ্লোবাল হেভী কেমিক্যালস ইত্যাদি কোম্পানির শেয়ারে ইতিমধ্যে লোকসান গুণছেন বিনিয়োগকারীরা। যদিও লেনদেনের শুরুতে এসব শেয়ার থেকে বিনিয়োগকারীরা আশানুরুপ মুনাফা করতে পেরেছিলেন। বিগত কয়েক কার্যদিবস ধরে সেকেন্ডারি মার্কেটে মন্দা এবং নতুন কোম্পানির শেয়ারে প্রথম দিন থেকে মার্জিন লোন চালু থাকা না থাকা নিয়ে দোলাচলের কারণে আইপিও বাজার ক্রমেই স্তিমিত হচ্ছে বলে অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন।

এদিকে উপরোক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারে আইপিও বিজয়ীরা লাভবান হলেও ক্ষতির মুখে পড়েছেন যারা সেকেন্ডারি মার্কেট থেকে এসব শেয়ার কিনেছেন। কারণ, প্রায় প্রত্যেকটি শেয়ারের দর অর্ধেকের কাছাকাছি নেমে গেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, গ্লোবল হেভী কেমিক্যালস লিমিটেডের শেয়ার দর প্রথম কার্যদিবসে ৯৯.৪০ টাকায় লেনদেন হয়েছিল। এর পরবর্তী ১৪ কার্যদিবসে টানা পতনে এ শেয়ারের দর বর্তমানে ৫৮.৩০ টাকায় স্থির হয়েছে।

প্রিমিয়ার সিমেন্টের শেয়ার দর লেনদেনের ২য় কার্যদিবসে ছিল ১১৫ টাকা। এরপর ১৫ কার্যদিবসের ব্যবধানে এ শেয়ারের দর টানা পতনে ৬৭.৫ টাকায় নেমে এসেছে।

আর্গন ডেনিমসের শেয়ার প্রথম কার্যদিবসে ছিল ৮২ টাকা। ২৪ কার্যদিবসের ব্যবধানে এ শেয়ারের দর বর্তমানে ৪০.৬০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

লেনদেনের ১২ কার্যদিবসের মাথায় সামিট পূর্বাঞ্চলের দর ৯৪.৫০ টাকায় উঠেছিল। পরবর্তী ১৫ কার্যদিবসে এ শেয়ারের দর নেমে আসে ৬৬.৬০ টাকায়। তবে এ কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজির হয়েছে বলে ধারণা করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।. ইতিমধ্যে এজন্য একটি কমিটিও গঠন করেছে কমিশন। বর্তমানে এ শেয়ারের দর ৫৩.৩০ টাকা।

সর্বশেষ লেনদেন শুরু হওয়া কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক হতাশা। লোকসান কাটিয়ে লাভের মুখ দেখতে এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেও কোনো কাজ হয়নি। বরং লোকসানের পরিমান আরো বেড়েছে। নতুন কোম্পানি বাজারে এসে শুধুমাত্র আইপিও বিজয়ী বিনিয়োগকারীদের কিছুটা মুনাফা হয়েছে। সেকেন্ডারি মার্কেট অধিকহারে বিনিয়োগ হলেও লাভের মুখ দেখেনি কেউ। বিভিন্ন বিনিয়োগকারীর সঙ্গে কথা বলে এ ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, যে কোনো ব্যবসার জন্য ক্রেতা-বিক্রোর চাহিদা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি যেখানে মুনাফা করা যায় না সে বাজারে ক্রেতার অভাব হবে এটাই স্বাভাবিক। নতুন কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা যেহারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাতে আইপিও বাজার হোঁচট খেতে পারে।

IF it is Helpful for you please Support us by clicking Ads !

Source : শেয়ারনিউজ২৪ 04.2013

March 11, 2013

DSE won’t provide observations on draft prospectuses

Dhaka Stock Exchange (DSE) has decided not to provide observations on draft prospectuses of companies willing to go public, sources said.

The move comes in the backdrop of a 'misconception' that the premier bourse has an involvement with decisions regarding IPO (initial public offering) approval and it's pricing.

The DSE has also decided to propose the regulator to lift the credit facility for purchasing shares of a newly listed company for five days from the date of debut trading.

The decisions were taken Sunday at a board meeting held at DSE office.

After the meeting, the DSE board members, including the president, refused to speak about the decisions.

The DSE president Rakibur Rahman only said that they are worried about the continuous sharp fall by the stock market.

The DSE sources, however, have confirmed that the decision of making no observation on company's draft prospectus and imposition of margin loans after first five trading sessions were taken at Sunday's meeting.

They said the DSE has moved to clarify that it is not associated with any decision regarding IPO approval and pricing to clear misconception prevailing in the market.

"At the same time, the premier bourse will provide no observation on company's draft prospectus," a DSE official said.

He said the DSE will provide observation only if the securities regulator feels its necessity.

On November 28, 2012 the Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) allowed investors to avail margin loans against any security from the first date of its listing or changing category.

The price limit of a newly listed company is also kept open for first five trading days.

Recently, it has been observed that the prices of newly listed companies have been uprising without any justification.

Under such circumstances, the DSE feels that margin loan facility should be imposed against newly securities after first five trading days for discovering a fair price.

At Sunday's meeting, the board has reached in a decision of formulating a guideline for obtaining permission from DSE to use name and logo of premier bourse by any kind of organisations.

IF it is Helpful for you please Support us by clicking Ads !

Source : FE 11.03.2013